ঢাকাবুধবার , ২০শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আবহাওয়া
  3. আর্ন্তজাতিক
  4. ইসলামী জীবন
  5. করোনা আপডেট
  6. খেলাধুলা
  7. চাকরি-বাকরি
  8. জাতীয়
  9. দূর্ঘটনা
  10. নাগরিক সংবাদ
  11. পাঁচমিশালি
  12. প্রচ্ছেদ
  13. বরিশাল বিভাগ
  14. বাংলাদেশ
  15. বিনোদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রায়গঞ্জের দুর্নীতিবাজ রিপন চেয়ারম্যানকে আগামী ইউপি নির্বাচনে দেখতে চায়না ইউনিয়ন বাসী

যুগের কথা প্রতিবেদক
অক্টোবর ৪, ২০২১ ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যুগের কথা প্রতিবেদক : নামেই তিনি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। এ পুঁজি ব্যবহার করে সিরাজগঞ্জ রায়গঞ্জ উপজেলার ২নং সোনাখাড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল রিপনের কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ ইউনিয়ন বাসী।

নামেই চেয়ারম্যান কর্মকান্ডে ফাঁকা। তাই আগামী ১১ নভেম্বরের নির্বাচনে সোনাখাড়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা কামাল রিপনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়না ইউনিয়নবাসী।
অভিযোগ থেকে জানা যায়, চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা কামাল রিপন নির্বাচিতের পর ২০১৬-১৭, থেকে ২০২০-২১ অর্থবছরে পর্যন্ত এডিবি, ভূমি হস্তান্তর কর, টিআর, কাবিখা, মৌলিক থোক বরাদ্দ, এলজিএসপি-৩ ছাড়াও সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
নীতিমালা না মেনে পরিষদের সদস্যদের উপেক্ষা করে এককভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন। অনেক প্রকল্পে ইউপি সদস্যদের সভাপতি বানিয়ে নিম্নমানের কাজ করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়াগেছে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য অভিযোগ করে বলেন গ্রামের প্রকৃত দুস্থ্যদের বঞ্চিত করে নিজের আত্মিয় স্বজনের নামে তিনি ভিজিডি, ভিজিএফ ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর রেশন কার্ড করে আত্মসাত করছেন। প্রকৃত দুস্থরা বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে প্রতিবাদ করলে উল্টো ভুক্তভোগীর উপর আসে সন্ত্রাসী তাণ্ডব। এমনকি তার বিরুদ্ধে ভয়ে মুখ খুলতে সাহস করেনা অনেক নিরীহ মানুষ। এছাড়াও হতদরিদ্রদের জন্য সরকারি ঘর দেওয়ার কথা বলে ইউনিয়নের ভূমিহীনদের কাছ থেকেও টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এদিকে বছরের পর বছর কেটে গেলেও ঘর জোটেনি কারো কপালে।

এদিকে তার বিরুদ্ধে সুদের ব্যবসা, নানান ধরনের ঠিকাদারি, ভূমি দখলের মতো কর্মকাণ্ডে তিনি জড়িয়ে পড়েন। তাঁর দৃশ্যমান বিভিন্ন ব্যবসায় কোটি টাকার মালিকানা মিললেও আয়কর বিবরণীতে তাঁর প্রমাণ পাওয়া যায় না।

ইউনিয়নের গোতিথা গ্রামের হতদরিদ্র মো. আব্দুল মজিদ বলেন গত ২০১৭ সালে হতদরিদ্রদের জন্য সরকারিভাবে দেয়া একটি ঘরের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল রিপন কাছে যায়। তখন আমাকে ঘর পাইয়ে দেওয়ার জন্য ১৭ হাজার টাকা দিতে বলেন চেয়ারম্যান। টাকা দিতে এলাকার এক মহাজনের কাছ থেকে সুদে ১৭ হাজার টাকা জোগাড় করে এনে চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেয়।

শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। পরে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বললেও সেটা এখনও আলোর মুখ দেখেনি।

ভুক্তভোগী আব্দুল মজিদ কান্নাকন্ঠে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার কতো গরীব মানুষকে ঘর দিয়েছে। কিন্তু আমি একটি ঘর পাওয়ার আশায় তিন বছর আগে মহাজনের কাছ থেকে সুদে ১৭ হাজার টাকা এনে চেয়ারম্যানকে দিয়েছি। ১৭ হাজার টাকায় প্রতি মাসে এক হাজার সাত শো করে সুদ দিতে হয়। সুদ বেড়ে তিন বছরে ৫১ হাজার টাকা হয়ে গেছে। আজও ঘর পেলাম না। মহাজনের টাকা কিভাবে পরিশোধ করবো, এই ভেবে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছি।

এমন অভিযোগ করে সোনাখাড়া গ্রামের মৃত মহরব আলীর স্ত্রী হিজুলি খাতুন বলেন, চেয়ারম্যান আমাকে ঘর দেয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে। আমি একজন অন্ধ মানুষ। কিভাবে আমার দিন যাবে। টাকা ও পেলাম না, ঘরও পেলাম না। এদিকে আমাকে ওই টাকার সুদ দিতে হয় প্রতিমাসে।

এ ছাড়াও জেলা প্রশাসক সিরাজগঞ্জ বরাবর ৮ জন ভুক্তভোগী সরকারি ঘর দেয়ার নামে অর্থ আত্মসাৎ বিষয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেও টাকা ফেরত পাওয়ার বিপরীতে পেয়েছে চেয়ারম্যানের হুমকি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।