ঢাকাবুধবার , ২২শে মার্চ, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আবহাওয়া
  3. আমাদের পরিবার
  4. আর্ন্তজাতিক
  5. ইসলামী জীবন
  6. এনায়েতপুর
  7. কক্সবাজার
  8. করোনা আপডেট
  9. খেলাধুলা
  10. চাকরি-বাকরি
  11. জাতীয়
  12. নাগরিক সংবাদ
  13. পাঁচমিশালি
  14. বরিশাল বিভাগ
  15. বাংলাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কবরস্থান আলোকিত করার সেঞ্চুরি করলেন উল্লাপাড়ার মেয়র নজরুল

তোফায়েল আহমেদ
ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৩ ১১:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

“জন্মিলে মরিতে হয়” মৃত্যুর পর মুসলিম সম্প্রদায়ের শেষ ঠিকানা হয় কবরস্থান। সেই কবরস্থানকে এনার্জি বাল্বের মাধ্যমে আলোকিত করে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে নন্দিত হলেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র এস. এম. নজরুল ইসলাম। গত এক বছর ধরে পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কবরস্থানকে আলোকিত করে আসছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাগরৌহা গ্রামের কবরস্থানকে আলোকিত করার মাধ্যমে সেঞ্চুরি করলেন পৌর মেয়র এস.এম. নজরুল ইসলাম ।

মেয়র নজরুল বলেন, সাধারণত শহর বা গ্রামাঞ্চলের কবরস্থানগুলো গড়ে তোলা হয় নির্জন স্থানে। প্রত্যক কবরস্থান ঘিরে থাকে গাছ-পালা ও ঝোপ-ঝাড়। রাতের আঁধারে মরদেহ দাফন করতে স্বজন ও গ্রামবাসীর দুর্ভোগের অন্ত থাকে না। রাতের বেলায় কবরস্থান আলোকিত রাখতে আমি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করি।

তিনি আরও বলেন, মানসিক প্রশান্তি পেতে ব্যক্তিগত অর্থায়নে অন্ধকারাচ্ছন্ন কবরস্থানগুলো বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত করে চলেছি।

সম্প্রতি উল্লাপাড়া পৌর এলাকা ছাড়াও উপজেলার সলপ, পূর্ণিমাগাঁতী, হাটিকুমরুল, দূর্গানগর, পঞ্চক্রোশী, কয়ড়া, লাহিড়ী মোহনপুর, উধুনিয়া, বড়পাঙ্গাসী সহ ১৪ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কবরস্থানকে আলোকিত করা হয়েছে। সর্বশেষ সদর ইউনিয়নের নাগরৌহা কবরস্থানকে আলোকিত করে একশো টি পূর্ণ করেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় এক বছর ধরে অন্তত ১০০টি কবরস্থানে বিদ্যুৎ সংযোগ ও এনার্জি বাল্ব লাগানোর কাজ করেছেন উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র।
আয়তনভেদে প্রতিটি কবরস্থানে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয়ে লাগানো হচ্ছে ৮ থেকে ১৫টি এলইডি বাল্ব। এছাড়াও পৌর এলাকার কবরস্থানগুলোর খাদেমদের পৌরসভার পক্ষ থেকে বেতন নির্ধারণ করার পাশাপাশি কবরস্থানের সৌন্দর্য্য বর্ধন কাজেরও পৃষ্ঠপোশকতা করছেন মেয়র নজরুল। তার এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষের প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

উল্লাপাড়া সদর ইউনিয়নের নাগরৌহা গ্রামের আব্দুল খালেক নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, রাতের আঁধারে কবরস্থানে যেতে মানুষ ভয় পেতো। মানুষ মারা গেলে কবর দেওয়া কষ্টকর হতো। অনেকেই বাধ্য হয়ে সকাল পর্যন্ত লাশ নিয়ে বাড়ীতে বসে থাকতেন। অনেক গ্রামের কবরস্থানে মেয়র মহোদয় বিদ্যুতের বাল্ব দিয়ে আলোকিত করায় এ সমস্যা থেকে সেসব এলাকাবাসী পরিত্রাণ পেয়েছে।

বড়পাঙ্গাসী গ্রামের আব্দুল গফুর ও উধুনিয়ার আব্দুল কুদ্দুসের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, রাতে কেউ মারা গেলে হারিকেন আর টর্চলাইট নিয়ে কবরস্থানে আসতে হতো। মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে কষ্ট করে দাফন করতে হতো। মেয়র মহোদয় বিদ্যুৎ সংযোগসহ বাল্ব দেওয়ায় যাতায়াতে ও মৃত ব্যক্তিকে কবর দিতে আর কোন সমস্যা হয় না।

উল্লাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ারুল ইসলাম বিপু জানান, উল্লাপাড়া সহ বেশ কয়েকটি কবরস্থানের খাদেম ও মসজিদের ইমামের মাসিক বেতনের ব্যবস্থা করেছেন মেয়র মহোদয় ।

কবরস্থান আলোকিত করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে উল্লাপাড়া পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং পৌরসভার মেয়র এস.এম. নজরুল ইসলাম বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত কর্মী হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। জীবনের বাকি সময়টা মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। এরই অংশ হিসেবে আত্মার প্রশান্তি থেকেই কবরস্থানগুলা আমি আলোকিত করছি। কোনো কিছু চাওয়া বা পাওয়ার আশা থেকে নয়, মানুষের কল্যাণে কবরস্থানগুলোকে আলোকিত করছি। ধারাবাহিকভাবে উপজেলার সব কবরস্থানকেই আলোকিত করবেন বলে তিনি জানান।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।